1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই কে?

৯ মার্চ ২০২৬

মোজতবা খামেনেইকে সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে ঘোষণা করে ইরান বুঝিয়ে দিলো তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সংঘাতের পথই নেবে।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই।
৫৬ বছর বয়সি মোজতবা খামেনেই (ডানদিকে) লো প্রোফাইলে থাকতে ভালোবাসেন, এতদিন তিনি কোনো সরকারি পদেও ছিলেন না। ছবি: Tasnimnews

মোজতবা খামেনেইয়ের জন্ম ১৯৬৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। তিনি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনেইয়ের দ্বিতীয় সন্তান। ৮৮ সদস্যের অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস তাকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে ঘোষণা করেছে।

মোজতবাকে হামেশাই ইরানের প্রহেলিকাময় নেতা বলা হয়। আবার তিনিই ইরানের ক্ষমতার অলিন্দে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি বলেও পরিচিত।  তার সঙ্গে ক্ষমতাশালী ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড(আইআরজিসি)-এর ঘনিষ্ঠ যোগ আছে। অনেকেই মনে করেন, আইআরজিসি আসলে দেশকে চালায়। 

তবে মোজতবার সম্পর্কে সাধারণ ধারণা হলো, তিনি তার বাবার পথ অনুসরণ করবেন এবং কট্টরপন্থি শাসন বজায় থাকবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান সময় নষ্ট করছে। খামেনেইয়ের ছেলে লাইটওয়েট। আর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গত সপ্তাহে বলেছেন, আলী খামেনেই-এর উত্তরাধিকারী হিসাবে যাকেই বাছা হোক না কেন, তাকে টার্গেট করা হবে। 

কট্টরপন্থি, বিতর্কিত নেতা

৫৬ বছর বয়সি মোজতবা এতদিন খুবই লো প্রোফাইলে থাকতেন। কখনো কোনো সরকারি পদে ছিলেন না। কিন্তু তার পরিচিতি হলো, ক্ষমতার জটিল পরিকাঠামোয় বিশেষ করে আইআরজিসি-তে তার প্রভাব প্রচুর। 

১৯৯০-এর পরবর্তী সময়ে সরকারি কর্মকর্তারা তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব সম্পর্কে অবহিত হন।  তাকে তখন ঘিরে থাকতেন আইআরজিসি ফাইটার ও কম্যান্ডোরা

কিন্তু মোজতবা খামেনেই প্রচারের আলোয় আসেন ২০০৫ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়। বিশেষজ্ঞদের মতে, তিনিই প্রেসিডেন্টকে জেতানোর পিছনে মূল কারিগর ছিলেন। সর্বোচ্চ নেতা সেসময়  মাহমুদ আহমেদিনেজাদকে প্রেসিডেন্ট করতে চেয়েছিলেন। তিনি সেই ভোটে জেতেন। 

২০০৫-এর নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট আকবর হাশেমি রাফসানজানির রাজনৈতিক দিক থেকে ধাক্কা লাগে। তিনি অবশ্য চুপচাপ ছিলেন। কিন্তু আরেক প্রার্থী সেহদি কারউবি প্রকাশ্যে চিঠি লিখে অভিযোগ করেন, মোজতবা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছেন। 

চার বছর পর মোজতবার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ওঠে। সেই সময়, আহমেদিনেজাদকে পুনরায় নির্বাচিত করা নিয়ে ইরানজুড়ে প্রবল প্রতিবাদ শুরু হয়। সেই সময় মোজতবার বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে, 'ডেথ টু মোজতবা'। 

সরকারি মিডিয়ায় বলা হয়েছে, মোজতবা খুব সরল জীবন যাপন করেন। আইআরজিসি-র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ১৯৮০-র দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধে মোজতবা অংশ নেন।  মোজতবা যে ব্যাটেলিয়নে ছিলেন, সেখানকার অনেক সদস্যই পরে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেন। তারা মোজতবার সমর্থনে ছিলেন। 

ইরানে অনেকেই, এমনকী তার বাবা আলী খামেনেই ভাবেননি যে একদিন মোজতবা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হবেন। 

ইউহানা নাজদি/জিএইচ/ডিডাব্লিউ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ