1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

পোশাক কারখানা পরিদর্শন

হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা২৮ মে ২০১৪

বাংলাদেশের ত্রুটিপূর্ণ পোশাক কারখানা পরিদর্শনের প্রতিবেদন প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ৷ গার্মেন্টস শ্রমিক নেতারাও মনে করেন, পরিদর্শনে কি তথ্য পাওয়া গেছে তা সবার জানা উচিত৷

Erster Jahrestag des Einsturzes der Textilfabrik in Bangladesch (Bildergalerie)
ছবি: DW/C. Meyer

এক বছর আগে বাংলাদেশের সাভারে রানা প্লাজা ধসে ১,১৩৪ জন শ্রমিক নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশের পোশাক কারখানার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে৷ প্রশ্ন ওঠে এর অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎ ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে৷ এরপর বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও-র উদ্যোগে বাংলাদেশের ৩,৫০০ পোশাক কারখানার ভবন, বিদ্যুৎ ও অগ্নিসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনের উদ্যোগ নেয়া হয়৷ এর মধ্যে একই ভবনে যৌথভাবে স্থাপিত ১,৫০০ কারখানা পরিদর্শনের দায়িত্ব পড়ে বাংলাদেশ সরকারের ওপর৷

এ শোক যে ভোলার নয়...ছবি: Reuters

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, সংক্ষেপে এইচআরডাব্লিউ বলছে ‘‘গত এক বছরে ৪০টিরও কম কারখানার ব্যাপারে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে৷ বাকি কারখানাগুলোর ব্যাপারে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না৷’’ আর বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই প্রকাশ করেনি৷
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারখানা পরিদর্শকরা এরই মধ্যে ২৫০টি কারখানা পরিদর্শন করেছেন৷ কিন্তু তাঁরা কোনো প্রতিবেদনই প্রকাশ করেননি৷ উত্তর অ্যামেরিকার ক্রেতাদের একটি গ্রুপ ৬৮০টি কারখানা পরিদর্শনের কাজ করছেন৷ তারা এরই মধ্যে ২৭টি কারখানার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন ছবিসহ৷ তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী এসব কারখানার ভবন, বিদ্যুৎ এবং অগ্নিনিরাপত্তা পুরোটাই ত্রটিপূর্ণ৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রেতাদের জোট ১,৫৪৫টি কারখানা পরিদর্শন শেষ করে ১০টি কারাখানার ওপর ছবিসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷ তা থেকে স্পষ্ট যে প্রতিটি কারখানারই ভবনসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ৷ এসব কারখানা সংস্কার করা প্রয়োজন৷

ফিল রবার্টসন তাঁর বিবৃতিতে বলেন, পরিদর্শনে যেসব ত্রুটি পাওয়া গেছে তার বিস্তারিত বাংলা এবং ইংরেজি ভাষায় ছবিসহ প্রকাশ করতে হবে৷ কারণ এ সব তথ্য জানা শ্রমিকদের অধিকার৷

শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তা এবং কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে এর কোনো বিকল্প নেই৷ তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে শ্রমিকরা যেমন লাভবান হবেন তেমনি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পও উপকৃত হবে৷

বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম রনি ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘আমরাও পরিদর্শন প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী৷ আমরা চাই এটা শ্রমিকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হোক৷ এতে শ্রমিকরা তাদের কর্মস্থলের নিরাপত্তা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন৷’’

তিনি বলেন, ‘‘কিছু কিছু মালিক পোশাক কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন না ঘটিয়ে কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছে৷ সরকার এবং বিজিএমইএ-র সেদিকে নজর দেয়া উচিত৷’’ শেয়ার্ড গার্মেন্টসগুলোতেই এই সমস্যা বেশি বলে জানান তিনি৷

এইচআরডাব্লিউ বলেছে, শেয়ার্ড ভবনের কারখানাগুলো সাবকন্ট্রাক্ট-এ কাজ করে এবং এই ভবনগুলো সর্বাধিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে৷ সেখানকার অগ্নি এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও নাজুক৷ এ ধরণের কারখানার সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার৷

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ