1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

কুকুরশিল্প

সিমন ব্রল/এসি৮ অক্টোবর ২০১৫

কুকুর শুধু প্রভুভক্তই নয়, মাঝেমধ্যে সে তার মানুষ প্রভুকে শিল্পের প্রেরণাও জুগিয়ে থাকে৷ কেউ হয়ত কুকুরের পোর্ট্রেট আঁকেন৷ কেউ আবার কুকুরকে সুট-টাই পরিয়ে ফ্যাশন মডেল করে তোলেন...৷

Pet Fashion Show in New York
ছবি: AFP/Getty Images/J. Lott

কুকুরের প্রদর্শনী নয়, কুকুর নিয়ে প্রদর্শনী৷ বার্লিনের কুপফারস্টিশকাবিনেট সংগ্রহশালার পরিচালক হাইনরিশ শুলৎসে আল্টকাপেনব্যার্গ চিত্রকলায় কুকুরদের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করেছেন: শেফার্ড ডগ থেকে শুরু করে মহিলাদের ভ্যানিটি ব্যাগের সাইজের পুডল বা চিহুয়াহুয়া, শ্লেজ টানা কুকুর থেকে শুরু করে বাড়ির ভুলো কুকুর৷ শুলৎসে বলেন, ‘‘শিল্পী আর কুকুরদের মধ্যে সত্যিই একটা বিশেষ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে৷ আগে শিল্পীরা অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন; প্রকৃতির কোলে একা ঘুরে বেড়ানোর সময় সঙ্গে থাকত কুকুর৷ স্টুডিওতেও কুকুর একপাশে শুয়ে-বসে থাকত৷ কিছুটা মনোরঞ্জনের জন্য, আবার খেলার সাথী হিসেবেও বটে৷''

আজও বহু শিল্পীকে প্রেরণা যোগায় কুকুর৷ ব্রিটিশ শিল্পী মার্টিন আসবর্ন তাঁর খুদে স্নাউৎসার কুকুরটির কল্যাণে কুকুরদের ছবি তোলার আইডিয়া পান৷ তাঁর সবচেয়ে নামকরা আলোকচিত্র পর্যায় হলো ‘গাড়িতে মালিকের অপেক্ষায় কুকুর'৷ দেখলে মনে হবে যেন তাদের মন খারাপ, না জানি কতো দুঃখ৷ অথচ প্রভুর প্রতি অচল বিশ্বাস৷ বার্লিনের চিত্রশিল্পী বার্বারা ভ্রেডে-ও অপেক্ষমান কুকুরদের ছবি তোলেন৷ ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি এই সব কুকুরদের ছবি তুলছেন: দোকান কিংবা লনড্রেটের সামনে প্রভুর অপেক্ষায় বিশ্বস্ত কুকুর৷

পোজ করা ছবি নয়, স্ন্যাপশট৷ ছবি তোলা থেকেই কুকুরদের সঙ্গে একটি দীর্ঘকালের সম্পর্কে গড়ে উঠেছে৷ ‘রাস্তার কুকুরদের ক্লাব' নাম দিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার জন্য কার্টুন এঁকে থাকেন বার্বারা ভ্রেডে৷ সামান্য কয়েকটি রেখা টেনে একটি কুকুরের চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে পারেন৷ বার্বারা বলেন, ‘‘আমার পক্ষে শিল্পী হিসেবে বড় চ্যালেঞ্জ হলো একটি কুকুরকে তার গোটা চরিত্র সহ ফুটিয়ে তোলা৷ আমার কুকুরের ছবিগুলো এমন, যেন আমি মানুষের পোর্ট্রেট আঁকছি৷ যেমন একটি ভালো জাতের কুকুরকে আমি আঁকব কোনো সম্ভ্রান্ত মানুষের মতো বসে থাকা অবস্থায়৷''

বোধি নামের কুকুরটিও পোজ দিয়ে বসে থাকতে পারে৷ এটি শিবা ইনু জাতের একটি জাপানি কুকুর, বাস নিউ ইয়র্কে৷ ফ্যাশনের জগতে যে সব কুকুরেরা নাম করেছে, তাদের মধ্যে বোধি একেবারে প্রথম সারির! ‘মেনসওয়্যার ডগ' ব্লগটিতে পুরুষদের ফ্যাশন পরিবেশন করে থাকে বোধি৷ পোশাক-আশাক বাছেন তার প্রভু৷ তাতে প্রভুর রোজগার হয় মাসে পনেরো হাজার ডলারের ওপর৷

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ