1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

জলবায়ু আলোচনার ‘বার্লিন প্রাচীর' এখনো আছে

১২ ডিসেম্বর ২০১৪

মূল বার্লিন প্রাচীর ভেঙে পড়েছিল ১৯৮৯ সালে৷ তার তিন বছর পর ১৯৯২ সালে আরেকটি প্রাচীর গড়ে ওঠে৷ সেটা ধনী আর গরিব দেশগুলোর মধ্যে৷ তখন বলা হয়েছিল, কার্বন নির্গমন কমানোর দায়িত্ব শুধু ধনী দেশগুলোর৷

Peru Klimakonferenz in Lima COP 20 John Kerry bei Ollanta Humala
ছবি: Reuters/E. Castro-Mendivil

১৯৯২ সালে জলবায়ু বিষয়ক একটি সম্মেলনে ধনী ও গরিব দেশগুলোর মধ্যে এধরনের একটি বিভাজন করা হয়৷ তারপর থেকে কেটে গেছে ২২ বছর৷ এর মধ্যে সে সময়কার ‘গরিব' দেশ মেক্সিকো আর সিঙ্গাপুরের অনেক উন্নতি হলেও জলবায়ু আলোচনায় এখনো তারা ‘গরিব'৷

পেরুর লিমাতে এখন চলছে জলবায়ু আলোচনা৷ শুক্রবার শেষ দিন৷ ১৯২টি দেশের কর্মকর্তারা গত ১১ দিন ধরে আলোচনা করে যাচ্ছেন৷ তাদের মূল লক্ষ্য আগামী বছরের শেষে প্যারিসে যে সম্মেলন হবে সেখানে একটি চুক্তি পাওয়ার আশায় খসড়া তৈরি করা৷ কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে ‘বার্লিন প্রাচীর'৷ কারণ ধনী দেশরা বলছে কার্বন নির্গমন কমাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে৷

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, ‘‘এটা (কার্বন নির্গমন কমানো) সবার দায়িত্ব৷ কারণ সম্মিলিতভাবে যে কার্বন নির্গত হয় সেটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর৷ কোনো একটি বিশেষ দেশ থেকে যেটা নির্গত হয়, শুধু সেটা নয়৷''

তিনি সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘‘আমরা যদি এখন কিছু করতে ব্যর্থ হই তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না৷''

জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত টড স্টার্ন জলবায়ু বিষয়ক আলোচনায় যে ‘বার্লিন প্রাচীর' রয়েছে সে নিয়ে আগেও কথা বলেছেন৷ এবার তিনি বললেন, ‘‘১৯৯২ সালে যে বিভাজন করা হয়েছিল সেটা রাজনৈতিকভাবে ‘সমর্থনযোগ্য নয়'৷ কেননা তখন থেকে বিশ্ব অর্থনীতি এখন অনেক বদলেছে৷''

জাতিসংঘের সাবেক জলবায়ু বিষয়ক প্রধান ইভো ডে বোয়ার বলেন, ‘‘আলোচনার সময় বিভাজনের বিষয়টি প্রথম দেখা দেয় ২০০৭ সালে৷''

জেডএইচ/ডিজি (রয়টার্স, এপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ