1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

জার্মানিতে ‘ডেট-রেপ ড্রাগ' রোধে কঠোরতর শাস্তির পরিকল্পনা

২৫ মে ২০২৬

‘ডেট-রেপ ড্রাগ'-এর ব্যবহার কমাতে কঠোর শাস্তির বিধান চান জার্মানির বিচার মন্ত্রী স্টেফানি হুবিগ৷ তবে ভুক্তভোগীদের অনেকেই মনে করেন, ক্রমশ বাড়তে থাকা এই সমস্যা মোকাবিলায় আরো অনেক কিছুই করা দরকার৷

প্রতীকী ছবি
জার্মানিতে, প্রতি ১০০টি ধর্ষণ মামলার মধ্যে মাত্র একটিতে অপরাধীর দোষ প্রমাণিত হয় এবং আইন অনুযায়ী তার শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়৷ নিনা ফুখস জানান, ‘‘ডেট-রেপ ড্রাগ প্রয়োগ বাড়ার পর থেকে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি দেয়ার হার আরো কমেছে; কারণ এই ধরনের মাদক শনাক্ত করার জন্য সময় খুব কম পাওয়া যায়৷ ফলে, অনেক ক্ষেত্রে তদন্ত চালিয়ে যাওয়াও অনেক কঠিন হয়ে পড়ে৷''ছবি: Christian Thiele/dpa/picture alliance

জার্মানিতে ‘ডেট-রেপ ড্রাগ', অর্থাৎ ডেট করার সময় কোনো-না-কোনো মাদক সেবন করিয়ে যৌন নিপীড়ন, এমনকি ধর্ষণ করার ঘটনাও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে৷

২০১৩ সালে এই ‘ ডেট-রেপ ড্রাগ'-এর প্রভাবে আচ্ছন্ন থাকা অবস্থায় ধর্ষণ করা হয় নিনা ফুখসকে৷ অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা ছিল৷ ফলে, নিনা আশা করেছিলেন ধর্ষকের শাস্তি হবে৷ কিন্তু সরকারি কৌঁসুলিরা এক পর্যায়ে মামলা খারিজ করে দেন৷ ২০২০ সালে যৌন সহিংসতার শিকারদের অধিকার রক্ষার জন্য ‘KO' (KO — Kein Opfer, অর্থাৎ, নকআউট — কোনো ভুক্তভোগী নয়) নামের একটি  সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন নিনা ফুখস৷

জার্মানিতে ডেট-রেপ ড্রাগ প্রয়োগে ধর্ষণকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের সমতুল্য গণ্য করে কমপক্ষে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার মতো আইন হতে পারে৷ অনেকে এমন পরিকল্পনাকে সাধুবাদ জানালেও KO-র চেয়ারপার্সন নিনা ফুখস বলেন, ‘‘(এমন উদ্যোগের কথা শুনে) আমার হতাশা ও ক্ষোভের মিশ্র অনুভূতি হয়েছে৷ সত্যিকার অর্থে কোনো পদক্ষেপ নিতে চাইলে তা যেন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য প্রকৃত অর্থেই সহায়ক ও সুফলদায়ক হয়৷ ঠিক এ কারণেই, অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের মতো আমিও মনে করছি, এটি আসলে এক ধরনের প্রতীকী রাজনীতি  ছাড়া কিছুই নয়৷''

২০১৩ সালে এই ‘ ডেট-রেপ ড্রাগ'-এর প্রভাবে আচ্ছন্ন থাকা অবস্থায় ধর্ষণ করা হয় নিনা ফুখসকে৷ ২০২০ সালে যৌন সহিংসতার শিকারদের অধিকার রক্ষার জন্য তিনি ‘KO' (KO — Kein Opfer, অর্থাৎ, নকআউট — কোনো ভুক্তভোগী নয়) নামের একটি  সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন৷ছবি: Andreas Gregor

ডয়চে ভেলেকে তিনি আরো বলেন, ‘‘শাস্তির বিধান যত কঠোরই হোক না কেন, অপরাধীদের শাস্তি দেয়ার হার নগণ্য হলে সেই কঠোর আইনের কোনো কার্যকারিতা থাকে না৷''

জার্মানিতে, প্রতি ১০০টি ধর্ষণ মামলার মধ্যে মাত্র একটিতে অপরাধীর দোষ প্রমাণিত হয় এবং আইন অনুযায়ী তার শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়৷ নিনা ফুখস জানান, ‘‘ডেট-রেপ ড্রাগ প্রয়োগ বাড়ার পর থেকে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি দেয়ার হার আরো কমেছে; কারণ এই ধরনের মাদক শনাক্ত করার জন্য সময় খুব কম পাওয়া যায়৷ ফলে, অনেক ক্ষেত্রে তদন্ত চালিয়ে যাওয়াও অনেক কঠিন হয়ে পড়ে৷''

অলিভার পিপার/ এসিবি

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ