1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

‘জিএসপি নিয়ে আশাবাদ’

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪

জার্মান-বাংলাদেশ চেম্বারের উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় যোগ নিতে বার্লিনে এসেছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন৷ ডিডাব্লিউ-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে দেশের পোশাক শিল্প সম্পর্কে ইতিবাচক কথা বলেন তিনি৷

Bangladesch Textilindustrie
ছবি: AP

পোশাক শিল্পের বর্তমান অবস্থা নিয়ে মত বিনিময়ের এ সভায় ইথিওপিয়া আর মিয়ানমারও অংশ নিয়েছে৷ তবে আলোচনায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্পই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে বলে জানান হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন৷ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো সম্পর্কে জার্মান ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর এখনকার মনোভাব জানতে চাইলে ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘জার্মান ক্রেতাদের যে ১৬ দফা দাবি ছিল, তা আমরা পুরোপুরিই পূরণ করতে পেরেছি৷ ওরা আমাদের কারখানাগুলো পরিদর্শন করে শতকরা মাত্র দুই ভাগ ক্ষেত্রে সমস্যা পেয়েছে৷ ওই দুই ভাগও আমরা ‘বন্ধ' করেছি৷ আমরা মনে করি, তারা এখন সন্তুষ্ট৷’’

[No title]

This browser does not support the audio element.

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের কারখানাগুলোতে শ্রমিক মজুরি, কাজের পরিবেশ, নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে প্রত্যাশিত উন্নতির ওপরই নির্ভর করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আবার পণ্যের অবাধ বাজার, অর্থাৎ জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি৷ আগামী ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি কমিটি বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর সার্বিক অবস্থার উন্নতি পর্যবেক্ষণ করবে৷ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনে করেন, সব ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত উন্নতি সাধন করে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে জিএসপি সুবিধা প্রাপ্তির দাবি জোরালো করতে পেরেছে৷

তিনি বলেন, ‘‘এখন কোনো দেশই জিএসপি পায় না৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আবার তা নতুন করে শুরু করবে৷ জিএসপি সুবিধা পাওয়ার জন্য যা যা দরকার তা আমাদের আছে৷ তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রেরও একটা ‘অ্যাকশন প্ল্যান' আছে৷ সে অনুযায়ীই আমরা কাজ করেছি৷ তাই সিদ্ধান্তটা এখন তাদের হাতে৷ শ্রমিক ইউনিয়ন, ইপিজেড – এ সব বিষয়ে যা করণীয় ছিল সবই আমরা করেছি৷ শুধু পরিদর্শক নিয়োগ করা হয়নি৷'' পরিদর্শক নিয়োগের অগ্রগতি সম্পর্কে হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘‘নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে৷ আশা করছি অক্টোবরের মধ্যে এ কাজও শেষ করতে পারবো৷''

‘জার্মানির তৈরি পোশাক ক্রেতারা সন্তুষ্ট’ছবি: Reuters

তবে হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন মনে করেন, পরিদর্শক নিয়োগের বিষয়টির জন্য জিএসপি সুবিধা প্রাপ্তি আটকে থাকার কথা নয়৷ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত পোশাক কারখানা পরিদর্শন জোট ‘অ্যালায়েন্স' এবং ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট ‘অ্যাকর্ড'-এর চলমান তৎপরতার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘ পরিদর্শক নিয়োগ না করা বড় কোনো সমস্যা নয়, কেননা, পরিদর্শকের চেয়েও বড় ‘থার্ড এজেন্সিজ' এখন কারখানাগুলো পরিদর্শন করছে৷ তারা বলেছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সবকিছু শতকরা ৯৮ ভাগ আন্তর্জাতিক মানে রয়েছে৷''

কয়েকদিন পরেই ঈদ-উল আজহা৷ বাংলাদেশের অনেক পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বকেয়া মজুরি এবং উৎসব বোনাস পাবেন কিনা – এ নিয়ে যথারীতি সংশয়ে আছেন৷ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন আশা প্রকাশ করেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তার ফলস্বরূপ কারখানা মালিকরা এই ঈদে শ্রমিকদের সমস্ত প্রাপ্য যথাসময়ে বুঝিয়ে দেবেন৷

সাক্ষাৎকার: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ