1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড

হারুন উর রশীদ স্বপন, ডয়চে ভেলে, ঢাকা১০ মার্চ ২০১৪

তলব পেয়ে হাইকোর্টে হাজির হয়ে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে সোমবার রিপোর্ট দিয়েছেন ব়্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা৷ তিন আসামির জামিনের আবেদনের শুনানি হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেনি৷

Blogger Protest in Dhaka
ছবি: DW

আদালত বলেছেন, এই রিপোর্ট এখন প্রকাশ করা হবেনা৷ আর সাগর-রুনির পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, তদন্ত নিয়ে তাঁরা অন্ধকারে আছেন৷

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ব়্যাবের সিনিয়র এএসপি মো. জাফর উল্লাহ গত ৫ই মার্চ প্রতিবেদন জমা দিতে এলেও জামিন শুনানির এখতিয়ার না থাকায় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ তা ফিরিয়ে দেয়৷ এরপর বিষয়টি বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চে এলে সোমবার হাজির হয়ে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দেন জাফর উল্লাহ৷

আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে জানিয়েছে, বিষয়টি যেহেতু তদন্তাধীন, তাই ওই প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশ করা হবে না৷ আর যে আসামিদের জামিনের আবেদন পেয়ে আদালত তদন্ত কর্মকর্তার কাছে অগ্রগতি জানতে চেয়েছিল, তাদের শুনানি শেষে তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে দেয়া হয়৷ আদালতে আসামিপক্ষের শুনানি করেন এসএম মাসুদ হোসেন দোলন, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট গাজী মো. মামুনুর রশীদ৷

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার রুনি৷ হত্যারহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশেই ২০১২ সালের ১৮ই এপ্রিল মামলাটি'র তদন্তের ভার ব়্যাবকে দেয়া হয়৷ ব়্যাব তদন্তের দায়িত্ব নেয়ার পর সন্দেহভাজন ১৬ জনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়৷ আলামত হিসেবে জব্দকৃত ছুরি ও পোশাকের নমুনাও পাঠানো হয়৷ কিন্তু তাতেও খুনি শনাক্ত করা যায়নি৷

হত্যাকাণ্ডের এক বছর আট মাস পর ঘটনায় 'জড়িত' সন্দেহে ৮ জনকে চিহ্নিত করার পর ৭ জনকে গ্রেফতার করে ব়্যাব৷ তাদের ৫ জনই আবার চিকিত্‍সক নেতা ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলার আসামি৷ ১৮ই ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আটক আসামিদের মধ্যে বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হাসান অরুণের জামিনের আবেদন জানানো হয়৷ পৰে তাঁদের আইনজীবী বলেন,'দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এ মামলায় অভিযোগপত্র হয়নি৷ মামলার তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ার পরও আসামিদের আটকে রাখা হয়েছে৷'

মেহেরুন রুনির ভাই নওশের রোমান ডয়চে ভেলেকে জানান, 'ব়্যাব আদালতে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দিলেও তাঁরা অন্ধকারে আছেন৷ এই মামলার তদন্ত নিয়ে কী হচ্ছে তাঁরা তার কিছুই জানেন না৷ এমনকি এ মাসেই তাঁরা ব়্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, কিন্তু ব়্যাব কিছু জানায়নি৷ বরং অনেকটা এড়িয়ে গেছে৷' নওশের রোমান বলেন, 'আদালত তদন্তের স্বার্থে রিপোর্ট এখন প্রকাশ না করার কথা বলেছেন৷ কিন্তু তাতে হতাশা কাটছেনা৷'' তিনি বলেন, তাঁরা চান মামলার তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে তা যেন স্পষ্ট করা হয়৷

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য
স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ