1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
সমাজইসরায়েল

"ফ্লাইদুবাইয়ের সহ-পাইলট ‘সন্ত্রাসী হামলার’ চেষ্টা করেছিলেন"

৩ অক্টোবর ২০২৬

সহ-পাইলটকে ছুরিকাঘাতকারী ওই ব্যক্তিকে নিজ দেশ ওমানে বিমান চালানোয় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে৷

ইসরায়েল তেল আবিব ২০২৬ | বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ফ্লাইদুবাইয়ের বদলি বিমানের অবতরণ
যে ফ্লাইটে এক পাইলট আরেকজনকে ছুরিকাঘাত করেছিলেন, সেই ফ্লাইটের যাত্রীদের নিয়ে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিকল্প বিমান তেল আবিবে অবতরণ করে [ছবি: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬]ছবি: Gil Cohen-Magen/dpa/picture alliance

ফ্লাইদুবাই-এর ফ্লাইট ১০৭৩ চলাকালীন ক্যাপ্টেনকে জানালা ভাঙার কুড়াল দিয়ে আঘাত করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে সহ-পাইলটের বিরুদ্ধে৷ আমিরাতের তদন্তকারীদের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডাব্লিউএএম জানিয়েছে, তিনি 'সন্ত্রাসী হামলা' চালানোর চেষ্টা করেছিলেন।

জানালা ভাঙার কুড়াল সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য বিমানের ককপিটে সংরক্ষণ করা হয়।

পশ্চিমা ও উপসাগরীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং এপি জানিয়েছে, আক্রমণকারী কো-পাইলট ওমানি নাগরিক হামাম আল-হাম্মামি। আমিরাতি কর্তৃপক্ষ তার পরিচয় সম্পর্কে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

শুক্রবার এক প্রতিবেদনে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছিল, উগ্র মতাদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করার সন্দেহে এর আগে ওমান তাকে বিমান ওড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

দুবাই থেকে তেল আবিব যাওয়ার ফ্লাইটে হামলার পর কীভাবে ঘটনাটি ঘটে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে কর্মীদের অতীত কতটা যাচাই করা হয়, এ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

বিমানটিতে চারজন পাইলটসহ ১৮২ জন ছিলেন।

এই কো-পাইলট ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত করার পর, কেবিনে থাকা অন্য দুই পাইলট বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুকে নিরাপদে অবতরণ করান।

ওমানের উদ্বেগ থাকায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল

'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ফ্লাইদুবাই ওই কো-পাইলটকে নিয়োগ দিয়েছিল এবং তাকে আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে সংবেদনশীল রুটে বিমান চালানোর সুযোগ দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল।
সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, ওই পাইলটের উগ্রবাদী মতাদর্শে ঝুঁকে পড়ার বিষয়ে ওমান অন্য কোনো দেশ বা এয়ারলাইনসকে জানিয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তার উগ্রবাদী হয়ে ওঠার ধরন বা প্রকৃতিও স্পষ্ট নয়।

মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন দুটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, চরমপন্থি মতাদর্শের কারণে গত বছর ওমানের জাতীয় এয়ারলাইন্সের চাকরি থেকে ওই কো-পাইলটকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

সৌদি সম্প্রচারমাধ্যম আল আরাবিয়াও একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানিয়েছে যে, ওমানি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়েছিল যে ওই কো-পাইলট চরমপন্থি মতাদর্শ পোষণ করতেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, তারা জানেন যে ওই কো-পাইলট "ইসলামপন্থি উগ্রবাদী মতাদর্শে দীক্ষিত হয়েছিলেন" এবং বিমানটি বিধ্বস্ত করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

নেতানিয়াহু আরও বলেন, ওই কো-পাইলট অন্য কারও নির্দেশে কাজ করেছিলেন কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এর সঙ্গে যেই জড়িত হোক না কেন, তাকে "কঠিন মাশুল" দিতে হবে।

ঘটনাটির তদন্ত চলছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের এক কূটনীতিক বার্তা সংস্থা এপিকে বলেছেন, কর্তৃপক্ষ জানার চেষ্টা করছে যে ওমানি ওই কো-পাইলট "একা কাজ করছিলেন নাকি কোনো চরমপন্থি গোষ্ঠীর সঙ্গে তার কোনো সংযোগ ছিল।"

এডিকে/টিএম (এপি, ডিপিএ, এএফপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ