1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর নেই, সমস্যায় এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

২১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে৷ লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে৷ এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পানি সেচ, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন৷ তবে সহসাই এই সংকট কাটার আশা দেখাতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা৷

প্রতীকী ফাইল ফটো
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, কোথাও ৩০ শতাংশ, কোথাও ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি থাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে৷ আগামী মে-জুনে পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ছবি: Mahmud Hossain Opu/AP Photo/picture alliance

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা আরো বাড়বে৷ আসলে আমাদেরতো গ্যাস ও জ্বালানি তেল নিয়ে কিছু করার নেই৷ সরবরাহ পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে৷ কয়লাতো প্রাইভেট সেক্টর আমদানি করে৷ এখনোতো আমাদের কিছু করার নেই৷ আমরা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি৷ জ্বালানি পেলে উৎপাদন বাড়বে৷''

পিডিবির আরেক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ‘‘আমরা ঢাকা শহরকে লোডশেডিং-এর আওতামুক্ত রাখার চেষ্টা করছি৷ গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং ভাগ করে দিচ্ছি৷ আমরা বাধ্য হচ্ছি৷ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে না পারলে কীভাবে দেব?''

‘‘আর যদি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা অব্যাহত থাকে তাহলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে৷ আমাদের হারিকেন, মোমবাতির যুগে ফিরে যেতে হতে পারে,'' বলে মন্তব্য করেন তিনি৷

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইএফএ)-এর দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ বিষয়ক প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ সমস্যার আপাতত কোনো সমাধান সরকারের হাতে নেই৷ কারণ এই সংকট চার বছর আগেই তৈরি হয়েছে৷ কিন্তু তারপর থেকে এটা সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি৷ আর সামনে গরম যত বাড়বে এই সংকট আরো প্রবল হবে৷ শুধুমাত্র উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কিছুটা স্বস্তি দেয়া সম্ভব৷''

সারাদেশে লোডশেডিং

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, কোথাও ৩০ শতাংশ, কোথাও ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি থাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে৷ আগামী মে-জুনে পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি (পিজিসিবি) কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার দেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৯৩২ মেগাওয়াট৷ সন্ধ্যা ৬টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৩৩০ মেগাওয়াট, ঘাটতি ছিল এক হাজার ৩৫৮ মেগাওয়াট৷ এ সময় গ্যাসচালিত কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ আসে চার হাজার ৫৭৪ মেগাওয়াট৷

তার আগের দিন রবিবার সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৫০ মেগাওয়াট৷ লোডশেডিং হয় এক হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট৷ শনিবার সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭২৫ মেগাওয়াট, ঘাটতি ছিল এক হাজার ২৫০ মেগাওয়াট৷

ঢাকা শহরে লোডশেডিং কম হলেও জেলা ও গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে৷ যেমন নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় প্রতিদিন প্রায় ২০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ মিলছে ১০ মেগাওয়াট৷ ফলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্ধেক সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না৷

কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না৷ পাবনায় প্রতিদিন পাঁচ ছয়বার লোডশেডিং করতে হচ্ছে৷ পল্লী বিদ্যুৎ থেকে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় চাহিদা প্রায় ৯৭ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ মিলছে ৭৫ থেকে ৮০ মেগাওয়াট৷

‘মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি, জ্বালানি পেলে উৎপাদন বাড়বে’

This browser does not support the audio element.

দিনাজপুরে গ্রামাঞ্চলে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না৷ এই গরমে চাহিদা ১০০ থেকে ১২০ মেগাওয়াট থাকলেও ২৫ থেকে ৩০ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হয়েছে৷

গোপালগঞ্জে চাহিদা ১৬ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ মিলছে আট থেকে ১০ মেগাওয়াট৷ ফলে এক ঘণ্টা পরপর লোডশেডিং দিতে হচ্ছে৷ রাজবাড়ীতে তীব্র গরম ও লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষ আবার হাতপাখার দিকে ঝুঁকছে৷

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লোডশেডিং কমানোর দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে৷ স্থানীয় নাগরিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে৷

চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কথা বলে জানা গেছে শহরে একটু কম হলেও গ্রামে লোডশেডিং অনেক বেশি৷

এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বিপাকে

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার দীর্ঘভূমি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শিপু আহমেদ এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ তো থাকে না বললেই চলে৷ দিনে কতবার যে যায় আর কতবার আসে তার হিসাব রাখা সম্ভব না৷ কখনো কখনো এসে পাঁচ মিনিট পরই আবার চলে যায়৷ এই মাসের শুরু থেকেই এই পরিস্থিতি৷''

‘‘পরীক্ষার পড়া পড়বো কীভাবে! বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে কষ্ট হয়৷ রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে আর কতক্ষণ পড়া যায়৷ গরমের সাথে মশার কামড়ও আছে৷ খুব কষ্ট করে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে,'' বলেন তিনি৷

একই জেলার বাসিন্দা শফিকুর রহমান৷ তার ছেলে শাফায়াত হাসান এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মানিকার চর এলএল মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে৷ শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘এখানে সবার অবস্থাই এক৷ বিদ্যুৎ থাকে না৷ ফলে পরীক্ষার্থীরা পড়তে পারছে না৷ বিদ্যুতে তারা অভ্যস্ত, ফলে হারিকেন বা মোমবাতিতে তারা পড়তে পারছে না৷ যাদের আইপিএস আছে তারা হয়তো পারছে৷ আমার বাসায় আইপিএস আছে৷ কিন্তু সবার তো নেই৷ সবাই কিনতেও পারে না৷ কেউ কেউ বাধ্য হয়ে কষ্ট হলেও ছেলে মেয়ে যাতে ঠিক মতো পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য আইপিএস কিনছেন৷ তবে এই সময়ে আবার আইপএস-এর দামও বেড়ে গেছে৷''

‘‘এখন চার্জ লাইট, মোমবাতি, হারিকেন, মোবাইল ফোনের লাইটই ভরসা৷ কিন্তু এভাবে কি লেখাপড়া হয়,'' প্রশ্ন তার৷

দক্ষিণের জেলা পিরোজপুরের একজন শিক্ষক মাহমুদা আক্তার৷ তার মেয়ে আয়েশা কবির তানহা৷ তিনি পরীক্ষা দিচ্ছেন ওই এলাকার করিমুন্নেসা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে৷ মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘‘কী করবো, মেয়ের পরীক্ষা তাই মোমবাতি কিনে মজুত করে রেখেছি৷ বিদ্যুৎ তো প্রায়ই থাকে না৷ এই পরীক্ষার সময় পরশু (শনিবার) রাত ১২টার সময় বিদ্যুৎ চলে গেছে, এসেছে পর দিন সকাল ১০টায়৷ প্রতিদিন তিন-চার বার বিদ্যুৎ চলে যায়৷ গরমে অতিষ্ট৷''

তার মেয়ে আয়েশা কবির তানহা বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ঠিকমতো পড়তে পারছি না৷ পরীক্ষার রেজাল্ট কী হবে আল্লাহই জানে৷ পরীক্ষার কেন্দ্রেও যদি বিদ্যুৎ না থাকে তাহলে তো আমাদের আরো কষ্ট হবে৷''

চট্টগ্রামেও বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও খারাপ৷ চট্টগ্রামের জামাল খান শাহ অলিউল্লাহ ইনস্টিটিউট থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন মুহাতিনা সুলাতানা মুনু৷ তার বাবা মিঠু আহমেদ জানান, ‘‘মেয়ের পরীক্ষার জন্য কষ্ট করে হলেও আইপিএস কিনেছি৷ কিন্তু সবারতো আর আইপিএস কেনার সামর্থ্য নেই৷ প্রতিদিন সাত-আটবার করে বিদ্যুৎ চলে যায়৷ গরম, পানিও পাওয়া যায় না ঠিকমতো বিদ্যুৎ না থাকায়৷''

‘‘আইপিএস কেনায় আমি একটু সুবিধাজনক অবস্থায় আছি৷ কিন্তু যাদের আইপিএস নেই তাদের অবস্থা খুবই খারাপ,'' বলেন তিনি৷

‘ঢাকায় লোডশেডিং কম করা হচ্ছে’

This browser does not support the audio element.

চট্টগ্রামের আব্দুল্লাহ আল কাফি ইস্পাহানি আদর্শ হাইস্কুল থেকে এসএসি পরীক্ষা দিচ্ছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রায়ই বিদ্যুৎ থাকে না৷ যখন বিদ্যুৎ থাকে না তখন মোবাইল ফোনের লাইট দিয়ে পড়াশুনা করি৷ তাও শেষ হয়ে যায়৷''

কেন এই পরিস্থিতি

রোববার বিদুৎ উৎপাদনে ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে পেট্রোবাংলা৷ যেখানে পিডিবির চাহিদা কমপক্ষে ১০০ কোটি ঘনফুট৷ তথ্য বলছে, কয়লা স্বল্পতা থেকে ৬১২ মেগাওয়াট, গ্যাস ও তেল ঘাটতির কারণে প্রায় পাঁচ হাজার মেগাওয়াট এবং মেরামতের কারণে এক হাজার ৮১২ মেগাওয়াট উৎপাদন বন্ধ৷ এলএনজি সরবরাহের একটি ভাসমান টার্মিনাল কারিগরি কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাসের সরবরাহ প্রায় ৪০ কোটি ঘনফুট কমেছে৷ এর ফলে গজারিয়া, মেঘনা ঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার দক্ষিণাংশসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম৷

চাহিদার তুলনায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে অর্ধেক, ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না৷ ফলে অনেক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে৷ দেশে মোট ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ৫৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন বন্ধ রয়েছে৷ এগুলো বেশিরভাগই গ্যাসের অভাবে বন্ধ আছে৷ আবার অনেক স্টেশন কম জ্বালানির কারণে ক্যাপাসিটি অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারছে না৷ কিছু স্টেশন মেইনটেনেন্সের কারণে বন্ধ আছে বলে পিডিবি জানিয়েছে৷

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আগে বিদ্যুতের সমস্যা ছিলো না৷ কিন্তু মার্চের শেষের দিক থেকে আমরা একটু সমস্যায় পড়ে গেছি৷ প্রথমে আদানির দুইটি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি বন্ধ হয়ে যায়৷ রামপালে দুইটি ইউনিট৷ একটি ইউনিট বন্ধের পর চালু হয়৷ এরপর দ্বিতীয় ইউনিট আবার বন্ধ করা হয়৷ আবার কয়লার সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে মাতারবাড়ির উৎপাদন ব্যাহত হয়৷ চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবস্থিত এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টও ক্ষতির মুখে পড়ে৷ তিনটি পাওয়ার প্ল্যান্ট পরপর মেনইনটেন্সে যাওয়ায় বিদ্যুতের সরবরাহ কমে যায়৷''

তিনি বলেন, ‘‘গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে৷ আর জ্বালানি তেল সরবরাহ পেট্রোবাংলা কমিয়ে দিয়েছে৷ তবে আদানি পাওয়ার আবার উৎপাদন শুরু করেছে৷ রামপালেও উৎপাদন ফের শুরু হয়েছে৷ তবে এসএস পাওয়ার এখনো বসে আছে৷ সেটা হলে আমরা আরো ৬০০ মেগাওয়াট পেতাম৷''

পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে?

আইইএফএ-এর জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, ‘‘নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যে যে সংকট চলছে তা নতুন সংকট তৈরি করেছে৷ ফলে পরিস্থিতি আগের চেয়েও খারাপ হচ্ছে৷ তেলের দাম বেড়ে গেছে, পাওয়া কঠিন হচ্ছে৷ এলএনজি অনেক দামে কিনতে হচ্ছে৷ ফলে গত বছর এই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন যা ছিলো তার চেয়ে কম করা হচ্ছে৷ কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্টের উৎপাদনও কম৷ সবদিক দিয়েই পরিস্থিতি খারাপ৷ গরম বাড়ার সাথে সাথে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়ে যাচ্ছে৷ গত দুই দিনে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে৷ এটা এক পর্যায়ে সাড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাবে৷ তখন তো লোডশেডিং আরো বেড়ে যাবে৷ কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে পারবে বলে মনে হয় না৷''

‘‘আসলে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে নজর দেয়া দরকার ছিলো৷ সরকারি হিসাবে আমাদের রুফটপ সোলার এনার্জি এখন পাওয়া যায় এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের কিছু বেশি৷ কিন্তু পাকিস্তান এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজার মেগাওয়াট রুফটপ সোলার এনার্জি করে ফেলেছে৷ ফলে তারা কিন্তু সংকটে নেই,'' বলেন তিনি৷

জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, ‘‘এখন ঢাকায় লোডশেডিং কম করা হচ্ছে৷ কারণ ঢাকা ও ঢাকার আশপাশে অনেক শিল্প কারখানা৷ শিল্পে বিদ্যুৎ অব্যাহত রেখে দক্ষ ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব৷ আবার এখন এসএসসি পরীক্ষা চলছে শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে সেটাও দেখতে হবে৷ যদি মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থার উন্নতি না হয় তাহলে আসছে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন৷''

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ