কাক-চড়াই শহুরে জীবনের অঙ্গ৷ কিন্তু নগরসভ্যতার চাপে পাখি উধাও হয়ে যাচ্ছে৷ ভারতে এক ব্যক্তি নিজস্ব উদ্যোগে কৃত্রিম বাসা তৈরি করে চড়াই পাখির সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন৷ স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও সচেতনতা বাড়াচ্ছেন তিনি৷
ছবি: picture-alliance/blickwinkel/M. Wulf
বিজ্ঞাপন
শহরের বিবর্তনের পরিণাম
এককালে যে চড়াই পাখি সর্বত্র দেখা যেত, এখন অস্তিত্ব লোপ পাওয়ার কারণে তার কদর বেড়ে গেছে৷ এমন পাখি হারিয়ে যাওয়ার জন্য মানুষ ও পাখির মধ্যে আবেগের সম্পর্কের অভাবকেই দায়ী করা হয়৷ অথচ পাখিই মানুষের সবচেয়ে পুরানো বন্ধুদের মধ্যে পড়ে৷
খোলামেলা ঘরে ভরা আধুনিক ভবনগুলিতে পাখি কোথাও বাসা বাঁধতে পারে না৷ সেখানে ফাটল, কোণা বা তাক নেই৷ শুধু বসতবাড়ির অবস্থা এরকম নয়৷ ইকো রুটস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা রাকেশ ক্ষত্রী মনে করেন, ‘‘যেখানে সবুজের সমারোহ ছিল, নগর পরিকল্পনার আওতায় সে সব জায়গা কংক্রিটের কাঠামোয় ভরে গেছে৷ তাহলে পাখিরা কোথায় চলে গেছে? আমরা তাদের বাড়িতে স্থান দেই না, হৃদয় থেকেও সরিয়ে দিয়েছি৷ আজ তাদের কাছেই ঘেঁষতে দেওয়া হয় না৷''
চড়াই সংরক্ষণের ভাবনা
রাকেশ ক্ষত্রী পেশায় তথ্যচিত্র পরিচালক৷ কাকতালীয়ভাবে তিনি চড়াই পাখির সংরক্ষণকারী হয়ে উঠেছেন৷ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘দিল্লির দক্ষিণে আমার দপ্তর ছিল৷ সেখানে যাবার পথে ঝাঁকঝাঁক পাখি দেখে আমার মন ভালো হয়ে যেত৷ একদিন দেখলাম, যে পাইপের মধ্যে পাখি বাসা বাঁধতো লোকে তা ভরাট করে দিচ্ছে৷ প্রশ্ন করতে তারা বললো, নোংরা ছড়িয়ে পড়া এড়াতেই তারা এই কাজ করছে৷ আমি তাদের বললাম, এই পাখির সংখ্যা এমনিতেই কমে আসছে এবং তারা সমস্যাটিকে আরও প্রকট করে তুলছে৷ তারা বললো, তারা শুধু নির্দেশ পালন করছে৷ তখন আমি কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে বললাম, যে পরিবেশ ট্রাইব্যুনালে গিয়ে নালিশ করতে পারি৷''
চড়াই ফেরাতে মানুষের বাসা
04:44
This browser does not support the video element.
ভারতের জাতীয় পরিবেশ ট্রাইব্যুনালের কাছে নালিশ করার হুমকি দিতে কাজ হলো৷ তারপর রাকেশ ক্ষত্রী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রাস্তার ধারে ১০০টি কৃত্রিম পাখির বাসা তৈরি করেন৷ ফলে চড়াইপাখি আবার ঘর বাঁধতে পারলো৷ এমনকি এতে আশ্বস্ত হয়ে তারা আবার ডিম পাড়তেও শুরু করলো৷
ফাউন্ডেশন গড়ে সার্বিক উদ্যোগ
এই সাফল্যে অভিভূত হয়ে পাখি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে রাকেশ ইকো-রুটস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন৷ তিনি সারা দেশে স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ওয়ার্কশপ আয়োজন করেন৷ যে কেউ শহরে পাখি বাঁচাতে চাইলেই তিনি সেই ডাকে সাড়া দেন৷
কৃত্রিম বাসা তৈরির পদ্ধতি শিখতে মাত্র ৪০ মিনিট সময় লাগে৷ নারকোলের তন্তু, পাট ও বাঁশ দিয়ে পাখির বাসার নকল তৈরির চেষ্টা করা হয়৷ এই উদ্যোগের গুরুত্ব সম্পর্কে রাকেশ ক্ষত্রী বলেন, ‘‘আমাদের ইকোসিস্টেমের জন্য এই পাখি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ পাখি আসলে ইকোসিস্টেমের স্বাস্থ্যের নির্দেশক৷ পাখি আমাদের জন্য ক্ষতিকর পোকামাকড় খায়৷''
মানুষ দূরের যাত্রায় পাড়ি দেয় প্লেন, ট্রেন বা বাসে চড়ে৷ ছবিঘরে দেখুন এমন দশটি প্রাণী, যারা মানুষের চেয়ে ঢের লম্বা পথ পাড়ি দেয় কোনো যানবাহন ছাড়াই...
ছবি: Imago/StockTrek Images
১০. স্যামন মাছ (৩,৮০০ কিলোমিটার)
জীবনের প্রথম কিছু বছর ঠাণ্ডা জলে বাস করে এই মাছটি৷ এরপর ডিম পাড়া হলে সমুদ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় তারা৷ তিন থেকে চার বছর পর আবার জীবনের শেষাংশের বছরগুলি কাটাতে ফিরে আসে ঠাণ্ডা জলের নদীতে৷
ছবি: Imago/ZUMA Press/J. Mather
৯. মোনার্ক প্রজাপতি (৪,৮০০ কিলোমিটার)
মূলত ক্যানাডা আর উত্তর অ্যামেরিকার নিবাসী এই প্রজাপতি শীতকাল আসার আগেই হাজার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পার করে এসে পৌঁছয় মেক্সিকোতে৷ মাত্র কয়েক মাস বাঁচতে পারা এই বিশেষ প্রজাপতি পৃথিবীর চৌম্বকীয় শক্তির সাহায্যে দিক নির্ধারণ করে৷
ছবি: Getty Images/AFP/O. Torres
৮. রেইনডিয়ার (৫,০০০ কিলোমিটার)
ইউরোপ, এশিয়া আর উত্তর অ্যামেরিকার শীতল অঞ্চলে পাওয়া যায় এই রেইনডিয়ার৷ বরফ গলা শুরু হলে সবুজ ঘাসের আশায় একদিনে ৭০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করতে পারে এই জন্তুটি৷
ছবি: picture-alliance/ dpa
৭. সেমিপালমেটেড স্যান্ডপাইপার (৫,৩০০ কিলোমিটার)
সমুদ্রের ধারে বাস করে এই পাখি৷ শীতকাল শুরু হওয়ার ঠিক আগেই মূল বাসস্থান ক্যানাডা ছেড়ে অ্যামেরিকার দক্ষিণের উদ্দেশ্যে উড়াল দেয় এই পাখি৷ ঝাঁক মেনে চলা পাখিটি একবারে গোটা আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেয়ার ক্ষমতা রাখে৷
ফড়িংয়ের কিছু বিশেষ প্রজাতি চার প্রজন্ম ধরে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় উড়ে বেড়ায়৷ শীতকালে এরা দক্ষিণ এশিয়ার দিকে উড়ে আসতে শুরু করে৷ মোনার্ক প্রজাপতির মতো এরাও হাওয়া ও পৃথিবীর চৌম্বকীয় শক্তির সাহায্যে দিক নির্ধারণ করে৷
ছবি: Getty Images/AFP/J. Guez
৫. লেদারব্যাক কচ্ছপ (২০,০০০ কিলোমিটার)
সমুদ্রে বাস করা এই কচ্ছপটি প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর অনায়াসেই পাড়ি দেয়৷ খাবারের খোঁজে এই কচ্ছপটি আটলান্টিক মহাসাগরের এক প্রান্ত থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার পাশের প্রশান্ত মহাসাগরে এসে জেলিফিশ শিকার করে৷
ক্যালিফোর্নিয়ার অধিবাসী এই সিন্ধুঘোটক তার যাত্রা এখান থেকে শুরু করে বছর ঘুরে আবার একই স্থানে ফিরে আসে৷ গড়ে ২১,০০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া এই প্রাণীটি বছরের বেশ কিছু মাস সমুদ্রে বাস করে৷
ছবি: picture alliance/blickwinkel/McPHOTO/E. u. H. Pum
৩. হাম্পব্যাক তিমি (২৩,০০০ কিলোমিটার)
স্তন্যপায়ী এই জীবের রয়েছে সবচেয়ে দীর্ঘ অভিবাসনের রেকর্ড৷ এই প্রজাতির তিমি মাছ বিশ্বের পাঁচটি মহাসাগরকেই ছুঁয়ে যায়৷
ছবি: Imago/StockTrek Images
২. সুটি শিয়ারওয়াটার (৬৫,০০০ কিলোমিটার)
দেখতে অনেকটা পায়রার মতন এই পাখি নিউজিল্যান্ডের আশেপাশে পাওয়া যায়৷ প্রতিদিন গড়ে ৯০০ থেকে ১,০০০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিতে সক্ষম৷
ছবি: Imago/All Canada Photos
১. আর্কটিক টের্ন (৭১,০০০ কিলোমিটার)
মাত্র ১১৩ গ্রাম ওজনের এই পাখিটি কীভাবে বিশ্বের সব প্রাণীদের চেয়ে লম্বা পথ পাড়ি দেয়, তা বিজ্ঞানীদের কাছে এক বিস্ময়৷ আর্কটিক সার্কল থেকে তার যাত্রা শুরু করে অ্যান্টার্কটিক সার্কলে গিয়ে পৌঁছয় এই পাখিটি৷
ছবি: imago/alimdi
10 ছবি1 | 10
পাখি সংরক্ষণের গুরুত্ব
প্রোফেসর সুদীপ্ত চ্যাটার্জি ২০ বছর ধরে জঙ্গল সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করেন৷ তিনি মনে করেন, ইকোলজিকাল বা পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে চড়াইপাখি সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ তাঁর মতে, ‘‘এই প্রজাতি অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের৷ বিজ্ঞানের সংজ্ঞা অনুযায়ী এই প্রজাতি ‘ডোমেস্টিকাস'৷ অর্থাৎ মানুষের বসতির কাছাকাছি এদের দেখা মেলে৷ তবে এই সংজ্ঞা আসলে সার্থক নয়৷ গোটা দেশে, গোটা বিশ্বে চড়াই ছড়িয়ে রয়েছে৷ কিন্তু সমস্যা হলো, এই পাখির সংখ্যা কমে এলেও এই প্রজাতির অস্তিত্ব নিয়ে প্রকৃতি সংরক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাথাব্যথা নেই৷ ‘লিস্ট কনসার্ন' বা সবচেয়ে কম উদ্বেগজনক তালিকায় তাদের রাখা হয়েছে৷''
ওয়ার্কশপ চালু করার পর থেকে রাকেশ ক্ষত্রী এক লক্ষেরও বেশি পাখির বাসা তৈরি করেছেন৷ তিনি প্রায় সাড়ে তিন হাজার স্কুলে গিয়ে নিজের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন৷ সংরক্ষণবাদী হিসেবে তাঁর দাবি, কৃত্রিম পাখির বাসার সাফল্যের হার প্রায় ৬০ শতাংশ৷ ফলে শহরাঞ্চলে পাখির সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করেছে৷ আগামী দুই থেকে তিন বছরে তিনি আরও আড়াই লাখ পাখির বাসা তৈরি করতে চান৷
হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে আছে এক মান্দার গাছ৷ ফেব্রুয়ারি-মার্চে গাঢ় কমলা রঙের ফুলে ছেয়ে যায় সেটি৷ ফুলের মধু খেতে দিনভর গাছটিতে ভিড় করে নানা রঙের পাখি৷ একটি গাছে একসঙ্গে এত বেশি প্রজাতির পাখি অন্য কোথাও দেখা যায় না৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
সাতছড়ির মান্দার গাছ
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে ওয়াচ টাওয়ারের পাশেই বিশাল আকারের মান্দার গাছটির অবস্থান৷ ছয়তলা বিশিষ্ট ওয়াচ টাওয়ারটির মতোই উচ্চতা এ গাছটির৷ ফলে ওয়াচ টাওয়ারটির প্রতি তলায় দাঁড়িয়ে খুব কাছে থেকে দেখা যায় নানান পাখি৷ প্রকৃতিপ্রেমী বিশেষ করে ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফাররা ফুলের মৌসুমে সবচেয়ে বেশি সেখানে যান৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
বাসন্তী লটকন টিয়া
টিয়া প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে ছোট এ পাখিটি দেখতে খুবই সুন্দর৷ সাতছড়ির মান্দার ফুলে এ পাখিটি প্রচুর দেখা যায়৷ ভোরা, লেজকাটা টিয়া বা শুধু লটকন বিভিন্ন নামে পরিচিত এ পাখিটির ইংরেজি নাম ‘ভের্নাল হ্যাঙ্গিং প্যারট’৷ সাতছড়ির গাছে পাখিটি সকালে বেশি দেখা যায়৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
লালবুক টিয়া
মদনা টিয়া নামেও পাখিটি পরিচিত৷ ইংরেজি নাম ‘রেড ব্রেস্টেড প্যারাকিট’৷ এর ঠোঁট লাল, মাথা বাদামি, পিঠ সবুজ ও বুক লাল৷ গলায় সুন্দর একটি কালো মালা আছে৷ জোরে আওয়াজ করে দলবেঁধে এরা মান্দার ফুলের মধু আর পাপড়ি খেতে আসে৷ এ পাখিটিও সকালে আর বিকেলে বেশি দেখা যায়৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
সিপাহি বুলবুলি
এর ইংরেজি নাম ‘রেড হুইস্কার্ড বুলবুলি’৷ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় পাখিটি ঝুঁটি বুলবুল, ঝুঁটকুলি, পাহাড়ি বুলবুল কিংবা চায়না বুলবুল নামেও পরিচিত৷ সাতছড়ির মান্দার গাছে পাখিটি সারাদিনই কম-বেশি দেখা যায়৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
কালো খোঁপা বুলবুলি
পাখিটি কালো-ঝুঁটি বুলবুলি বা কালো-খোঁপা হলদে বুলবুলি নামেও পরিচিত৷ ইংরেজি নাম ‘ব্লাক হেডেড ইয়োলো বুলবুল’৷ এ প্রজাতির পাখিটি গাছের ডালে একা একা বেশি বিচরণ করে৷ সবসময় এ প্রজাতির পাখিটি দেখা গেলেও তা সংখ্যায় অনেক কম৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
বাংলা বুলবুলি
সব জায়গাতেই পাখিটি প্রচুর দেখা যায়৷ মান্দার গাছের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে সেখানেও পাখিটি আসে৷ সারাদিনই কমবেশি পাখিটির দেখা মেলে৷ এর ইংরেজি নাম ‘রেড ভেন্টেড বুলবুলি’৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
নীলগলা বসন্ত বৌরি
মান্দার গাছে মধু খেতে এসে পাখিটি দীর্ঘক্ষণ একনাগারে ডাকতে থাকে৷ এর ইংরেজি নাম ‘ব্লু থ্রোটেড বারবেট’৷ পাখিটির ডাক বনের অনেক দূর থেকেও শোনা যায়৷ দেশের বিভিন্ন এলাকাভেদে পাখিটি ধনিয়া, বড় বসন্ত বৌরি বা বসন্ত বাউরি নামেও পরিচিত৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
কাঠ শালিক
সাতছড়ির মান্দার গাছে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এ পাখিটি৷ এর ইংরেজি নাম ‘চেস্টনাট টেইলড স্টার্লিং’৷ গাছের ডালে বসে এ পাখিকে অন্যান্য পাখির সঙ্গে সবসময় ঝগড়া করতে দেখা যায়৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
সবুজ পাতা বুলবুলি
পাখিটির ইংরেজি নাম ‘গোল্ডেন ফ্রন্টেড লিফবার্ড’৷ এলাকাভেদে এ পাখিটি সোনালি-কপাল পাতা বুলবুলি, পাতা বুলবুলি, সোনা-কপালি হরবোলা নামেও পরিচিত৷ এ পাখিটিও প্রচুর দেখা যায় সাতছড়ির মান্দার গাছে৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
উদয় ধলা চোখ
দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাখিটি শ্বেত আঁখি, শ্বেতাক্ষি, বাবুনাই, চশমা টুনি, চশমা পাখি নানা নামেও পরিচিত৷ এর ইংরেজি নাম ‘ওরিয়েন্টাল হোয়াইট আই’৷ পাখিটি আকারে খুবই ছোট এ পাখিটিও দলবেঁধে আসে সাতছড়ির মান্দার ফুলে৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
মেটেটুপি বাটকুড়ালি
সাতছড়ির মান্দার ফুলে মাঝে মধ্যে দেখা যায় পাখিটি৷ এর ইংরেজি নাম ‘গ্রে ক্যাপড উডপেকার’৷ পাখিটি আকারে অনেকটা চড়ুই পাখির মতো৷ পাখিটিকে গাছে ডালে বসে কাঠ ঠোকরাতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়৷
ছবি: DW/M. M. Rahman
আরো আছে নানান পাখি
এছাড়াও আরো নানান পাখির মেলা বসে সাতছড়ির এই মান্দার গাছে৷ এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সবুজ টিয়া, ফুলমাথা টিয়া, পাহাড়ি ময়না, সুঁইচোরা, ভিমরাজ, হরিয়ালসহ আরো নানা রকম চোখ জুড়ানো পাখির মেলা বসে সাতছড়ির মান্দার ফুলে৷