1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

বাংলাদেশ

জাহিদুল হক১০ ডিসেম্বর ২০১২

২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ বলেছিল তারা ক্ষমতায় গেলে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তুলবে৷ এজন্য তারা ‘ভিশন ২০২১’ নামে একটি রূপকল্পও ঘোষণা করেছিল, যার লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা৷

Schüler einer staatlichen Grundschule lernen am Mittwoch (22.06.2011) in Lohacura, einem Ort im Westen von Bangladesch, in ihrem Klassenraum. Jeder zweite Bangladeschi ist jünger als 15 Jahre. Die Analphabetenrate liegt immer noch bei 74 Prozent. Foto: Tim Brakemeier dpa
ছবি: picture-alliance/dpa

বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন মুনির হাসান৷ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য পূরণের একজন সক্রিয় সদস্য তিনি৷ গত চার বছরে সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি প্রথমেই বললেন, প্রতিটি ইউনিয়নে তথ্য সেবাকেন্দ্র চালুর কথা৷ ‘‘তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির সেবা পৌঁছে দিতে সরকার সারা দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি তথ্য সেবাকেন্দ্র চালু করেছে৷ সেখানে কাজ করছে স্থানীয় দুজন তরুণ৷ এছাড়া কয়েকটি জেলায় ‘জেলা ই-সেবাকেন্দ্র' চালু করা হয়েছে৷ এর ফলে ঘরে বসেই এখন প্রয়োজনীয় সরকারি ফর্ম ডাউনলোড করে নেয়া যাচ্ছে৷ আগে এর জন্য সরকারি কার্যালয়ে যেতে হতো৷ এছাড়া উচ্চশিক্ষায় ভর্তির যাবতীয় কাজকর্ম ও ঘরে বসে অনলাইনে রেল টিকিট কাটা সহ নানান কাজ করতে পারছেন নাগরিকরা৷''

ছবি: Advocate Tanbir ul Islam Siddiqui

সরকার এখন দেশের প্রায় ২০ হাজার স্কুলে ‘মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম' স্থাপনের কাজ করছে৷ মুনির হাসান বললেন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে একটি করে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর থাকবে৷ সেখানে জটিল বিষয়গুলো সহজ করে পড়ানো হবে৷ প্রতিটি স্কুলে অন্তত একটা ক্লাসরুমকে এরকম মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে পরিণত করা হচ্ছে৷ এভাবে পড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় লেকচারগুলো তৈরি করছেন শিক্ষকরা৷ গত প্রায় দেড় বছর ধরে এই কাজ চলছে৷ মুনির হাসান বললেন, এখন পর্যন্ত এরকম ক্লাসরুমের সংখ্যা হাজার না পেরোলেও কাজ যেভাবে এগোচ্ছে তাতে আগামী বছরের মধ্যেই বিশ হাজার স্কুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশাবাদী৷ ‘‘এসব ক্লাসরুমে সরকারি ল্যাপটপ ‘দোয়েল' দেয়া হবে৷''

আগামী ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘আমার বর্ণমালা' নামে একটি বাংলা ফন্ট চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার৷ বাংলা একাডেমী এতে মূল ভূমিকা পালন করছে৷ আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগ এতে সহায়তা করছে৷ নতুন এই ফন্ট চালুর উদ্যোগ সম্পর্কে মুনির হাসান বলেন, ‘‘আমাদের বাংলা ভাষায় অনেক ফন্ট থাকলেও সেগুলো কোনো ভাষাবিদের সাহায্য নিয়ে না করায় কিছু সমস্যা হয়েছে৷ যেমন বাংলা একাডেমীর সাবেক প্রধান ড. মনসুর মুসা বলছেন, বাংলায় ‘স্বামী' ও ‘কম্বল' এই দুটি বানানে যুক্তাক্ষর হিসেবে যে ‘ব' ব্যবহার করা হয় তার আলাদা আলাদা দুটো তাৎপর্য রয়েছে৷ বর্তমানে যে ফন্টগুলো চালু রয়েছে সেখানে এই পার্থক্য ফুটিয়ে তোলা যায় না৷ এসব সমস্যা দূর করতেই ‘আমার বর্ণমালা' ফন্ট চালু করা হচ্ছে৷''

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য
স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ